বাংলাদেশ এখনো দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানিকারক দেশ?

Latest Textile | নিজস্ব প্রতিবেদক

কাগজে কলমে বাংলাদেশ এখনো বিশ্বব্যাপী দ্বিতীয় বৃহত্তম গার্মেন্টস রপ্তানিকারক দেশ! 


যদিও গত জানুয়ারি থেকে জুলাই মাসের মধ্যে, ভিয়েতনাম ১৬.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের গার্মেন্টস ও টেক্সটাইল পণ্য রপ্তানি করে। আর সে সময় বাংলাদেশের শুধুমাত্র গার্মেন্টস রপ্তানি ছিল ১৫.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।


তবে ভিয়েতনামকে টেক্সটাইল এবং গার্মেন্টস রপ্তানিকারক হিসেবে গণনা করা হয়, অন্যদিকে বাংলাদেশকে শুধুমাত্র গার্মেন্টস রপ্তানিকারক হিসেবে গণনা করা হয়।

এখানে বলা বাহুল্য যে, গার্মেন্টস বলতে তৈরি পোশাক, আর টেক্সটাইল বলতে সুতা, কাপড় ইত্যাদি বোঝানো হচ্ছে! 

সেই দিক দিয়ে বিশ্বব্যাপী গার্মেন্টস রপ্তানিতে বাংলাদেশ এখনো ভিয়েতনামের চেয়ে অনেক এগিয়ে এবং এখনো দ্বিতীয় বৃহত্তম গার্মেন্টস রপ্তানিকারক দেশ।


বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (BGMEA) সহ-সভাপতি আরশাদ জামাল দীপু বলেন, "আপনি আপেলের সাথে আপেলের তুলনা করছেন না, বরং আপেলকে কমলার সাথে তুলনা করছেন।" 


২০১৯ সালের বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গার্মেন্টস রপ্তানিতে বাংলাদেশ দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছে।


ডব্লিউটিও'র তথ্য আরও জানায়, ২০১৯ সালে বাংলাদেশ ৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের গার্মেন্টস পণ্য রপ্তানি করে এবং ভিয়েতনাম ৩১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের গার্মেন্টস পণ্য রপ্তানি করে।


উল্লেখ্য, ডব্লিউটিও'র প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০১৯ সালে ভিয়েতনাম প্রায় ৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের টেক্সটাইল রপ্তানি করেছে। ফলে মোট ৪০ বিলিয়ন রপ্তানি করে ভিয়েতনাম।


"তাই যদি কোনভাবে টেক্সটাইল রপ্তানি মূল্য ভিয়েতনামের টেক্সটাইল এবং গার্মেন্টসের রপ্তানি থেকে বাদ দেওয়া যায়, তাহলে বাংলাদেশ দ্বিতীয় স্থানে থাকবে," বলে মতামত জানান বিজিএমইএর সহ-সভাপতি।


তিনি বলেন, "সরকারি কোনো তথ্য নেই যা বলে ভিয়েতনাম বাংলাদেশের আগে রয়েছে, তাছাড়া আমরা এখনো ২০২০ সালের মাঝামাঝি সময়ে আছি, তাই ২০২০ সালের জন্য ডব্লিউটিও'র তথ্যের জন্য আমাদের ২০২১ সালের জুলাই মাস পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।"


তিনি আরও বলেন, "আজকাল মিডিয়া রিপোর্টে বাংলাদেশ এবং ভিয়েতনামের মধ্যে তুলনা টানার জন্য যে তথ্য উল্লেখ করা হচ্ছে তা একটি বিভ্রান্তিকর তুলনা।"

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ