৫৩টি কারখানা থেকে ৯০ জন কর্মী আক্রান্ত, শুরু না শেষ?

৫৩টি কারখানা থেকে ৯০ জন কর্মী আক্রান্ত, শুরু না শেষ?

Latest Textile | নিজস্ব প্রতিবেদক


শিল্পাঞ্চল পুলিশের অধীনস্থ পাঁচটি শিল্প অঞ্চলের ৫৩টি কারখানার মোট ৯০ জন কর্মী শনিবার পর্যন্ত করোনা ভাইরাস পজিটিভ হয়েছেন।

শিল্প পুলিশের একটি অফিসিয়াল তথ্য থেকে জানা গিয়েছে যে, ৯০ জন শ্রমিকের মধ্যে ৭৩ জন ৩৮টি গার্মেন্টস ও টেক্সটাইল কারখানা থেকে আক্রান্ত হয়েছেন!

৮ জন বাংলাদেশ এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোন অথরিটির (BEPZ) অধীনে ৬টি কারখানা থেকে এবং ৯টি অন্যান্য  পোশাক কারখানা থেকে ৯ জন আক্রান্ত হয়েছেন!

তথ্যে দেখা গেছে, বাংলাদেশ গার্মেন্টস প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (BGMEA) নিবন্ধিত ৩৫টি পোশাক কারখানা থেকে করোভাইরাস আক্রান্ত ৬৮ জন শ্রমিক!

বাংলাদেশ নিটওয়্যার প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (BKMEA) ২টি কারখানার ৩ জন শ্রমিক এবং বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (BTMA) ১টি কারখানা থেকে ২জন কর্মী আক্রান্ত হয়েছেন।

এর মধ্যে সর্বোচ্চ সংখ্যক করোনা-আক্রান্ত শ্রমিক ৪৮ জন, আশুলিয়া ইন্ডাস্ট্রিয়াল অঞ্চলের তালিকাভুক্ত।

অন্যদিকে গাজীপুরে ২৫ জন, চট্টগ্রাম থেকে ১১টি, নারায়ণগঞ্জ ও ময়মনসিংহ থেকে ৩ জন করে আক্রান্ত হয়েছেন!

শিল্প পুলিশ অবশ্য খুলনার কোনো করোভাইরাস-আক্রান্ত শ্রমিক তালিকাভুক্ত করেনি!

কিন্তু ১ জন কর্মী শিল্প পুলিশের এখতিয়ারের বাইরে যশোরে অবস্থিত একটি আরএমজি কারখানায় আক্রান্ত হয়েছেন।

ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড ইউনিয়ন কনফেডারেশন বাংলাদেশ কাউন্সিল শনিবার এক বিবৃতিতে বলেছে, "স্বাস্থ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা বজায় রেখে সীমিত সংখ্যক শ্রমিক নিয়ে কারখানাগুলো চালানো শুরু করার জন্য কারখানা মালিকরা সরকারের নির্দেশনা পুরোপুরি মেনে চলছেন না।

এর ফলে অনেক গার্মেন্টস শ্রমিক সংক্রমিত হচ্ছে বলে বিবৃতিতে জানিয়েছে রাইটস গ্রুপ।

সংক্রামিত শ্রমিকদের জন্য চিকিৎসা খরচ এবং মৃত শ্রমিকদের উপযুক্ত ক্ষতিপূরণের টাকা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দিতে হবে বলে তাঁদের দাবি।

তারা বলেন, চলমান COVID-19 মহামারির কারণে বাংলাদেশে অনানুষ্ঠানিক খাতের শ্রমিক ও প্রবাসী শ্রমিকরা সবচেয়ে বেশি কষ্ট পেয়েছেন ।

এ বিষয়ে মন্তব্যের জন্য কোনো বিজিএমইএ নেতা রাজি হননি।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ