ঘুরে দাঁড়াচ্ছে গার্মেন্টস ও টেক্সটাইল, তবুও অন্ধকার

Latest Textile | Mohammad Imtiaz Khan

কোভিড-১৯ মহামারীতে আক্রান্ত বাংলাদেশী পোশাক কোম্পানিগুলো এখন নতুন আদেশ মোকাবেলার জন্য হাজার হাজার শ্রমিক খুঁজছে বলে জানিয়েছে পোশাক শিল্পের সঙ্গে জড়িতরা।

কর্মকর্তারা জানান, গত মাসে বাংলাদেশের বস্ত্র শিল্প করোনাভাইরাস সংকট থেকে দ্রুত প্রত্যাবর্তন করছে। বিশ্বব্যাপী খুচরা বিক্রেতাদের আদেশ পূরণে কারখানাগুলো রপ্তানি প্রায় ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

গত মাস থেকেই ধীরে ধীরে রপ্তানি বাড়ছে। সর্বোচ্চ ২০ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি হয় ১৩ আগস্ট। গেল ২২ আগস্ট হয়েছে সাড়ে ৬ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি।

বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (BGMEA) জানিয়েছে, গত এক বছরে রেডিমেড পোশাক রপ্তানি ২.৩ বিলিয়ন থেকে ৩.৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (আরএম১৩.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার) এ পৌঁছে গেছে।

তবুও যেন গার্মেন্টস কর্মীরা এখনও অন্ধকারে ডুবে আছে। সরকারের পক্ষ থেকে নানা রকম প্রণোদনার টাকা আদায়ের পরও এখনও জোর করে পদত্যাগ করানো, বেতন দিতে দেরি, কর্মী ছাটাইসহ নানা অভিযোগে আন্দোলন ও বিক্ষোভ করতে দেখা যাচ্ছে গার্মেন্টস কর্মীদের।

প্রকৃত পক্ষে রপ্তানির ঘুরে দাড়ানোর পরিসংখ্যানে পুরো খাতের আসল অবস্থা বোঝা যাবে না।  প্রণোদনা গুলো যেমন সুষ্ঠু ভাবে বিতরণ হয় না, তেমনি রপ্তানির উৎস গুলোও। ফলে কাগজে লেখা কিছু সংখ্যার সাথে বাস্তবতার থাকে আকাশ পাতাল তফাত।

এ বিষয়ে সরকারের সরাসরি হস্তক্ষেপের মাধ্যমে টেক্সটাইল ক্যাডার নিয়োগ করে বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে সমন্বয় করে নিবিড় পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে ছোট বা দূর্বল প্রতিস্ঠানগুলোর সমস্যা সমাধান করা উচিৎ। যাতে করে শ্রমিক অসন্তোষ তৈরি হয়ে বিদেশী ক্রেতাদের বাংলাদেশের প্রতি অনাস্থা তৈরি না হয় এবং দেশের অর্থনীতি ঝুঁকিতে না পড়ে।

এ বিষয়ে গার্মেন্টস ও টেক্সটাইল শিল্পের নেতৃবৃন্দ থেকে শুরু করে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের একত্রিত হয়ে কাজ দরকার বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞরা।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ