Latest Textile | নিজস্ব প্রতিবেদক
গত শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) ভোররাত ৩টার পর হঠাৎই আগুন লাগে গুলশান শপিং কমপ্লেক্সের ৬ষ্ঠ তলায় অবস্থিত শমশের অ্যাপারেল নামের একটি গার্মেন্টসে। ফায়ার সার্ভিসের ৬টি ইউনিটের ২ ঘন্টার চেষ্টায় আগুনটি নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে বাইরে থেকে বোঝা না গেলেও ভেতরের সব কিছুই পুড়ে ছাড়খাড় হয়ে গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন স্টোর রুম থেকেই আগুনের সূত্রপাত। তবে অনেকেই একে নাশকতার নাম দিতে চাচ্ছে। তাদের ভাষ্যমতে কিছু স্বার্থান্বেষী মহল এই অগ্নিকাণ্ডের পিছনের মদতদাতা। তারা মার্কেট খালি করতে এসব কর্মকান্ড করছে বলে তারা দাবি করে।
উল্লেখ্য এর আগেও কয়েকবার মধ্যরাতেই এমন অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।ফায়ার সার্ভিস আগুনের আসল কারন জানতে পারে নি। তারা বলেছেন খুব শীঘ্রই তদন্ত কমিটি গঠন করে আগুনের আসল কারন খুজে বের করা হবে। গার্মেন্টসটিতে প্রায় ৬০০জন কর্মী কর্মরত ছিলেন।কর্মস্থল হারিয়ে তারা দিশেহারা হয়ে রয়েছেন।
২০১২ সালের ২৪শে নভেম্বর আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুরের তাজরীন গার্মেন্টসের আগুন লেগে প্রাণ হারায় ১১৩ জন শ্রমিক আহতের সংখ্যা ৩০০ ছাড়ায়। ঘটনার পরে সরকার এবং বিজিএমইএ নিহত এবং আহতদের সহায়তার কথা বললেও বাস্তবে এর কিছুই হয়নি।
প্রায় ৮ বছর পরেও অগ্নিকাণ্ডের সাথে জড়িতদের শাস্তির দাবি করে যাচ্ছেন শ্রমিকেরা।
শুধু এ দুটি নয় সম্প্রতি ইসলাম গার্মেন্টসের আগুন, টংগী, আশুলিয়ার অগ্নিকাণ্ডের পর নেয়া হয়নি যথাযথ কোন পদক্ষেপ। শ্রমিকদের পরবর্তী কর্মসংস্থান থেকে তাদের চিকিৎসা, সব ব্যপারেই কর্তৃপক্ষের অবহেলা গার্মেন্টস শ্রমিকদের ভবিষ্যৎ নিয়ে খুব একটা ভালো সংকেত প্রকাশ করছে না।





0 মন্তব্যসমূহ