আবারও যৌথ উদ্যোগে কাজ করবে বাংলাদেশ ও ভারত


Latest Textile | নিজস্ব প্রতিবেদক

আবারও নতুনভাবে বাস্তবায়িত হতে চলেছে বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ উদ্যোগে কাজ করার জন্য গার্মেন্টস ও টেক্সটাইল শিল্প বিষয়ক চুক্তি।

ধারণা করা যাচ্ছে, এ চুক্তির মাধ্যমে মহামারি কোভিড-১৯ এর ফারা কাটিয়ে দুটি দেশই তাদের মধ্যকার চলমান সকল বাঁধা বিপত্তিকে পিছনে ফেলে যৌথভাবে একে অপরের সহযোগিতায় কাজ করার সিদ্ধান্তে উপনীত হবে।

গত বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ‘ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ ভার্চুয়াল কনফারেন্স অন টেক্সটাইল অ্যান্ড অ্যাপারেল সেক্টর’ শীর্ষক একটি অনলাইন সম্মেলনে উপস্থিত ব্যাক্তিবর্গ জানান, বাংলাদেশ ও ভারতের টেক্সটাইল এবং পোশাক খাতের সমন্বয় বিকাশে কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রিকে (CII) সহায়তা করবে ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ (FBCCI)। এতে করে আরও ফলপ্রসূ কাজ করার আশা প্রকাশ করেছেন দুটি দেশের নেতৃবৃন্দ।

যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ভার্চুয়াল সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী, ভারত সরকারের টেক্সটাইল মন্ত্রী স্মৃতি জুবিন ইরানি, বাংলাদেশের বিজিএমইএর সভাপতি রুবানা হক, এফবিসিসিআই-এর সহ-সভাপতি মো. সিদ্দিকুর রহমান, ভারতের টেক্সটাইল মন্ত্রণালয়ের সেক্রেটারি রবি কাপুর, কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রি-এর মহাপরিচালক চন্দ্রজিৎ ব্যানার্জি সহ আরও প্রমুখ সম্মানিত ব্যক্তিবর্গ।

এফবিসিসিআই-এর সহ-সভাপতি মো. সিদ্দিকুর রহমান বলেন, "যদি বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের ভারতীয় ব্যাংকগুলোর এলসি প্রদানের সুযোগ-সুবিধা স্থগিত অর্থ পরিশোধের বিষয়ে একটি সংশোধিত বিধান কার্যকর করা হয়, তবে ভারত থেকে পণ্যদ্রব্য সংগ্রহের পরিমাণ বাড়িয়ে তুলতে আমাদের ব্যবসায়ীদের সহায়তা করবে। এছাড়া এটি ভারতের অন্যান্য পণ্য বড় পরিসরে আমদানি দ্বিপক্ষীয় ভ্যালু চেইন উদ্যোগ নিতে সহায়ক হবে এবং ভারতসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশেও বাংলাদেশি পোশাক ও বস্ত্র রপ্তানি সহজ করে তুলবে।"
বিজিএমইএ সভাপতি রুবানা হক বলেন, "শুধু প্রতিযোগিতা নয় বরং সময় এখন সহযোগী প্রতিযোগিতার। বাংলাদেশ ও ভারত একে অন্যকে সহযোগিতা করলে আমরা ভালো কিছু অর্জন করতে পারবো।"
এছাড়াও অনুষ্ঠানে, দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘ দিনের বন্ধন তুলে ধরে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী বলেন, "বাংলাদেশ ভারতের বৃহত্তম মিত্র দেশ এবং বর্তমান সরকারের অধীনে নীতি ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি আমরা বাণিজ্য সুযোগ-সুবিধা অর্জন করতে পারি। এছাড়া, স্পিনিং, ওয়েভিং, ডায়িংয়ের মতো উপখাতগুলোতে আমরা গ্রাহকের বিকাশমান চাহিদা পূরণে একে অন্যকে সহযোগিতা করতে পারি।"

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ