
পোশাক শিল্প ও করোনা ভাইরাস
Latest Textile | Bristi Shaha
সাম্প্রতিক সময়ের প্রধান আলোচিত বিষয় কোভিড-১৯ যা করোনা ভাইরাস নামে পরিচিত। বাংলাদেশে প্রথম করোনা সংক্রমিত রোগী শনাক্ত হয় ৮ই মার্চ। আজ পর্যন্ত মোট শনাক্ত হয়েছে ২৩,৮৭০জন। (সুত্র: স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং আইইডিসিআর)
বিশ্বে যে কয়েকটি দেশের রপ্তানি আয় খুব দ্রুত বাড়ছে, তার মধ্যে বাংলাদেশ একটি। রপ্তানিতে বাংলাদেশের এই অগ্রযাত্রার অগ্রভাগে পোশাক শিল্প।পোশাক রপ্তানিতে একক দেশ হিসেবে বিশ্বে দ্বিতীয় অবস্থান ধরে রেখেছে বাংলাদেশ। করোনা ভাইরাসের প্রক্ষিতে, বাংলাদেশে প্রথম সাধারণ ছুটি ঘোষিত হয় ২২ শে মার্চ। অথচ, পোশাক শিল্পের সাথে জড়িত মানুষদের ছুটি শুরু হয় ২৬শে মার্চ থেকে। শীর্ষ রপ্তানি আয়ের পোশাক খাতে প্রায় ৪০ লাখ শ্রমিক কাজ করেন। একেকটি কারখানায় কাজ করেন হাজার হাজার শ্রমিক, যা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার জন্য বিপজ্জনক পরিবেশ।
দীর্ঘ সময় পর গত ৩মে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে দেশজুড়ে লকডাউনের মধ্যেই পর্যায়ক্রমে পোশাকশিল্প কারখানা চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তৈরি পোশাক রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ। ২মে থেকেপর্যায়ক্রমে সকল কারখানা চালু হয়েছে। এই সময়ে কারখানার আশেপাশে থাকা শ্রমিকরা কাজে যোগ দেন। দূরদূরান্তের যানবাহন চলাচল এখন পর্যন্ত বন্ধ।

বাংলাদেশের পোশাক শিল্প কর্মীদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে বিজিএমইএ এবং যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান কমন হেলথ-এর মধ্যে একটি বিশেষ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী দেশের ১ লক্ষ পোশাক শিল্প কর্মীকে ফোন কলের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা দেবেন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারগণ। সেবার আওতায় থাকবে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা, মানসিক স্বাস্থ্যসেবা এবং করোনাভাইরাস সম্পর্কিত চিকিৎসা পরামর্শ। (তথ্যসূত্র : বিজিএমইএ)
এমন সংকটময় মুহূর্তে দেশের পোশাক শিল্পকে রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সুরক্ষানীতি মেনে সকলকে এক সাথে কাজ করতে হবে।
Writer
Bristi Shaha
Campus Ambassador - Latest Textile
Shahid Abdur Rab Serniabat Textile Engineering College, Barisal




0 মন্তব্যসমূহ