![]() |
Latest Textile | Yeasir Arafat
বর্তমান করোনা পরিস্তিতিতে আমরা টিভি খুললে বা পেপার পত্রিকায় দেখি "লে অফ"।অমক অমক প্রতিষ্ঠান লে অফে গেছে, শ্রমিক ছাঁটাই করেছে, সরকারের প্রনোদনা প্যাকেজ এর সুবিধা পাবে না লে-অফ কৃত প্রতিষ্ঠান। এমন অনেক কথাই শুনে থাকি তাই না?
জানতে ইচ্ছা করে না, লে-অফ জিনিসটা আবার কি?
▶️"লে-অফ" অর্থ কয়লা, শক্তি বা কাঁচা মালের স্বল্পতা, অথবা মাল জমিয়া থাকা অথবা যন্ত্রপাতি বা কলকব্জা বিকল বা ভাঙ্গিয়া যাওয়ার কারণে কোন শ্রমিককে কাজ দিতে মালিকের ব্যর্থতা, অস্বীকৃতি বা অক্ষমতা।
১৯৮০ এবং ১৯৯০ এর দিকে শ্রমিক ছাঁটাই এর জন্য লে অফ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে যুক্তরাষ্ট্র এবং জাপানে, সেই থেকে লে অফের ব্যবহার শুরু।
▶️একজন মালিক কি কারনে প্রতিষ্ঠান লে-অফ করতে পারেন?
শ্রম আইন ২০১৯ ধারা-১৬ অনুয়ায়ী একজন মালিক বছরে অবিচ্ছিন্ন বা বিচ্ছিন্নভাবে একটি প্রতিষ্ঠানকে ৪৫ দিনের জন্য লে-অফ করতে পারেন।
শ্রম আইনের ভাষায় লে অফ হলো আপনার যখন কাঁচামাল বা রোমেটেরিয়ার এর স্বল্পতা থাকবে বা আপনি যে এনার্জি সোর্স টা ব্যবহার করে প্রোডাকশন করবেন সেটার স্বল্পতা থাকলে বা কল-কারখানার যন্ত্রপাতি বিকল হলে,আপনি যখন শ্রমিককে কাজ দিতে অক্ষম হবেন তখন আপনি লে অফ দিতে পারবেন।মহামারি বা দেশের অচল অবস্থা বা অর্অনৈতিক কারণেও লে অফ হয়ে থাকে।
▶️ লে অফ সম্পর্কে শ্রম আইন ২০১৯ এর ১৫ নম্বর উপধারায় লে-অফ এবং শ্রমিকের অধিকার নিয়ে বিস্তারিত বলা হয়েছে। তা হুবহু তুলে ধরা হলোঃ
১৫ নম্বর ধারাঃ
✔️(১) এ ক্ষেত্রে সাময়িক শ্রমিক নয় এমন কোনো শ্রমিককে, যার নাম কোনো প্রতিষ্ঠানের মাস্টার রোলে অন্তর্ভুক্ত আছে এবং যিনি মালিকের অধীন অন্তত ১ (এক) বছর চাকরি সম্পূর্ণ করেছেন, তখন যদি প্রতিষ্ঠান লে-অফ করা হয়, তাহা হইলে মালিক তাকে, সাপ্তাহিক ছুটির দিন ব্যতীত তাহার লে-অফের সকল দিনের জন্য ক্ষতিপূরণ প্রদান করবেন।
✔️(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত ক্ষতিপূরণের পরিমাণ হবে সংশ্লিষ্ট শ্রমিকের মোট মূল মজুরি, মহার্ঘ ভাতা এবং এডহক বা অন্তর্বর্তী মজুরি, যদি থাকে, এর অর্ধেক এবং তাহাকে লে-অফ করা না হলে তিনি যে আবাসিক ভাতা পাইতেন, তার সম্পূর্ণের সমান।
✔️(৩) যে শ্রমিকের নাম কোনো প্রতিষ্ঠানের মাস্টার রোলে অন্তর্ভুক্ত আছে, তিনি এই ধারার প্রয়োজনে সাময়িক বা অন্য শ্রমিক বলে গণ্য হবেন না যদি তিনি উক্ত প্রতিষ্ঠানে অবিচ্ছিন্নভাবে ১ (এক) বছর চাকরি সম্পূর্ণ করে থাকেন।
১৯৮০ এবং ১৯৯০ এর দিকে শ্রমিক ছাঁটাই এর জন্য লে অফ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে যুক্তরাষ্ট্র এবং জাপানে, সেই থেকে লে অফের ব্যবহার শুরু।
▶️একজন মালিক কি কারনে প্রতিষ্ঠান লে-অফ করতে পারেন?
শ্রম আইন ২০১৯ ধারা-১৬ অনুয়ায়ী একজন মালিক বছরে অবিচ্ছিন্ন বা বিচ্ছিন্নভাবে একটি প্রতিষ্ঠানকে ৪৫ দিনের জন্য লে-অফ করতে পারেন।
শ্রম আইনের ভাষায় লে অফ হলো আপনার যখন কাঁচামাল বা রোমেটেরিয়ার এর স্বল্পতা থাকবে বা আপনি যে এনার্জি সোর্স টা ব্যবহার করে প্রোডাকশন করবেন সেটার স্বল্পতা থাকলে বা কল-কারখানার যন্ত্রপাতি বিকল হলে,আপনি যখন শ্রমিককে কাজ দিতে অক্ষম হবেন তখন আপনি লে অফ দিতে পারবেন।মহামারি বা দেশের অচল অবস্থা বা অর্অনৈতিক কারণেও লে অফ হয়ে থাকে।
▶️ লে অফ সম্পর্কে শ্রম আইন ২০১৯ এর ১৫ নম্বর উপধারায় লে-অফ এবং শ্রমিকের অধিকার নিয়ে বিস্তারিত বলা হয়েছে। তা হুবহু তুলে ধরা হলোঃ
১৫ নম্বর ধারাঃ
✔️(১) এ ক্ষেত্রে সাময়িক শ্রমিক নয় এমন কোনো শ্রমিককে, যার নাম কোনো প্রতিষ্ঠানের মাস্টার রোলে অন্তর্ভুক্ত আছে এবং যিনি মালিকের অধীন অন্তত ১ (এক) বছর চাকরি সম্পূর্ণ করেছেন, তখন যদি প্রতিষ্ঠান লে-অফ করা হয়, তাহা হইলে মালিক তাকে, সাপ্তাহিক ছুটির দিন ব্যতীত তাহার লে-অফের সকল দিনের জন্য ক্ষতিপূরণ প্রদান করবেন।
✔️(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত ক্ষতিপূরণের পরিমাণ হবে সংশ্লিষ্ট শ্রমিকের মোট মূল মজুরি, মহার্ঘ ভাতা এবং এডহক বা অন্তর্বর্তী মজুরি, যদি থাকে, এর অর্ধেক এবং তাহাকে লে-অফ করা না হলে তিনি যে আবাসিক ভাতা পাইতেন, তার সম্পূর্ণের সমান।
✔️(৩) যে শ্রমিকের নাম কোনো প্রতিষ্ঠানের মাস্টার রোলে অন্তর্ভুক্ত আছে, তিনি এই ধারার প্রয়োজনে সাময়িক বা অন্য শ্রমিক বলে গণ্য হবেন না যদি তিনি উক্ত প্রতিষ্ঠানে অবিচ্ছিন্নভাবে ১ (এক) বছর চাকরি সম্পূর্ণ করে থাকেন।
✔️(৪) মালিক এবং শ্রমিকের মধ্যে ভিন্নরূপ কোনো চুক্তি না থাকলে, কোনো শ্রমিক এই ধারার অধীন কোনো পঞ্জিকা বৎসরে ৪৫ (পঁয়তাল্লিশ) দিনের অধিক সময়ের জন্য ক্ষতিপূরণ পাবেন না।
✔️(৫) উপ-ধারা (৪) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, যদি কোনো পঞ্জিকা বৎসরে কোনো শ্রমিককে অবিচ্ছিন্নভাবে বা বিচ্ছিন্নভাবে ৪৫ (পঁয়তাল্লিশ) দিনের অধিক সময়ের জন্য লে-অফ করা হয়, এবং উক্ত ৪৫ (পঁয়তাল্লিশ) দিনের পর লে-অফের সময় যদি আরোও ১৫ (পনেরো) দিন বা তার বেশি হয়, তাহলে উক্ত শ্রমিককে, শ্রমিক এবং মালিকের মধ্যে ভিন্নরূপে কোনো চুক্তি না থাকিলে, পরবর্তী প্রত্যেক ১৫ (পনেরো) বা তার বেশি দিনের লে-অফের জন্য ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
✔️(৬) উপ-ধারা (৫) এ উল্লিখিত ক্ষতিপূরণের পরিমাণ হবে সংশ্লিষ্ট শ্রমিকের মোট মূল মজুরি, এবং মহার্ঘ ভাতা এবং এডহক বা অন্তর্বর্তী মজুরি, যদি থাকে, এর এক-চতুর্থাংশ এবং যদি আবাসিক ভাতা থাকে, তার সম্পূর্ণের সমান।
✔️(৭) কোনো ক্ষেত্রে যদি কোনো শ্রমিককে কোনো পঞ্জিকা বৎসরে উপরে উল্লিখিত প্রথম
৪৫ (পঁয়তাল্লিশ) দিন লে-অফের পর কোনো অবিচ্ছিন্ন ১৫ (পনেরো) দিন বা তার বেশি সময়ের জন্য লে-অফ করতে হয়, তাহলে মালিক উক্ত শ্রমিককে লে-অফের পরিবর্তে ধারা ১৯ এর উপ-ধারা (১) এর অধীন ছাঁটাই করতে পারবেন।
[উপধারা গুলো জানার ইচ্ছা থাকলে একটু দেখে নিয়েন,সব লিখা সম্ভব হলো না,পুরো ব্যাপারটা গুলিয়ে যাবে]
▶️ যে সব কারণে শ্রমিক লে-অফ এর অধিকারী হবে না তা শ্রম আইন ২০১৯ এর ১৭ নম্বর ধারায় বলা হয়েছে।
✔️(১) এই অধ্যায়ের অন্য যায়গায় যা কিছুই থাকুক না কেন, কোনো লে-অফকৃত শ্রমিককে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে না, যদি-
🔸ক. তিনি একই প্রতিষ্ঠানে বা একই মালিকের অধীন একই শহরে বা গ্রামে অথবা ৮ (আট) কিলোমিটার দূরত্বের মধ্যে অবস্থিত ইপিজেডস্থ ভিন্ন কোনো প্রতিষ্ঠানে দক্ষতা বা পূর্ব অভিজ্ঞতার প্রয়োজন নাই এইরূপ কোনো বিকল্প পদে একই মজুরিতে কাজ গ্রহণ করিতে অস্বীকার করেন।
🔸খ.তিনি মালিকের নির্দেশ সত্ত্বেও দিনে ১ (এক) বার প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক কর্মসময়ের মধ্যে কোনো নির্দিষ্ট সময়ে কাজের জন্য হাজিরা না দেন।
✔️(২) উপ-ধারা (১) এর দফা (খ) এর উদ্দেশ্যে যদি লে-অফকৃত কোনো শ্রমিক কোনো দিনে স্বাভাবিক কর্ম সময়ের মধ্যে নির্ধারিত কোনো সময়ে কাজের জন্য হাজিরা দেন, এবং হাজিরার
২ (দুই) ঘণ্টার মধ্যে যদি তাহাকে কোনো কাজ দেওয়া না হয়, তাহা হইলে তিনি সেই দিনের জন্য এই ধারার অর্থ মোতাবেক লে-অফকৃত হয়েছেন বলে গণ্য হবেন।
✔️(৩) উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিতরূপে যদি কোনো লে-অফকৃত শ্রমিক কাজের জন্য হাজিরা দেন, এবং তাকে কোনো দিনের কোনো পালায় উহা শুরু হবার আগেই কাজ দেওয়ার পরিবর্তে তাহাকে একই দিনে পালার দ্বিতীয়ার্ধে কাজে হাজির হওবার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয় এবং তিনি তদনুযায়ী কাজের জন্য হাজিরা দেন, তাহলে তিনি ঐ দিনের অর্ধেক কর্মসময়ের জন্য লে-অফ হইয়াছেন বলিয়া গণ্য হবেন এবং অবশিষ্ট অর্ধেক কর্মসময়ে, তাকে কোনো কাজ দেওয়া হোক বা না হোক, তিনি চাকরিতে ছিলেন বলে বিবেচিত হবেন।
✔️(৫) উপ-ধারা (৪) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, যদি কোনো পঞ্জিকা বৎসরে কোনো শ্রমিককে অবিচ্ছিন্নভাবে বা বিচ্ছিন্নভাবে ৪৫ (পঁয়তাল্লিশ) দিনের অধিক সময়ের জন্য লে-অফ করা হয়, এবং উক্ত ৪৫ (পঁয়তাল্লিশ) দিনের পর লে-অফের সময় যদি আরোও ১৫ (পনেরো) দিন বা তার বেশি হয়, তাহলে উক্ত শ্রমিককে, শ্রমিক এবং মালিকের মধ্যে ভিন্নরূপে কোনো চুক্তি না থাকিলে, পরবর্তী প্রত্যেক ১৫ (পনেরো) বা তার বেশি দিনের লে-অফের জন্য ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
✔️(৬) উপ-ধারা (৫) এ উল্লিখিত ক্ষতিপূরণের পরিমাণ হবে সংশ্লিষ্ট শ্রমিকের মোট মূল মজুরি, এবং মহার্ঘ ভাতা এবং এডহক বা অন্তর্বর্তী মজুরি, যদি থাকে, এর এক-চতুর্থাংশ এবং যদি আবাসিক ভাতা থাকে, তার সম্পূর্ণের সমান।
✔️(৭) কোনো ক্ষেত্রে যদি কোনো শ্রমিককে কোনো পঞ্জিকা বৎসরে উপরে উল্লিখিত প্রথম
৪৫ (পঁয়তাল্লিশ) দিন লে-অফের পর কোনো অবিচ্ছিন্ন ১৫ (পনেরো) দিন বা তার বেশি সময়ের জন্য লে-অফ করতে হয়, তাহলে মালিক উক্ত শ্রমিককে লে-অফের পরিবর্তে ধারা ১৯ এর উপ-ধারা (১) এর অধীন ছাঁটাই করতে পারবেন।
[উপধারা গুলো জানার ইচ্ছা থাকলে একটু দেখে নিয়েন,সব লিখা সম্ভব হলো না,পুরো ব্যাপারটা গুলিয়ে যাবে]
▶️ যে সব কারণে শ্রমিক লে-অফ এর অধিকারী হবে না তা শ্রম আইন ২০১৯ এর ১৭ নম্বর ধারায় বলা হয়েছে।
✔️(১) এই অধ্যায়ের অন্য যায়গায় যা কিছুই থাকুক না কেন, কোনো লে-অফকৃত শ্রমিককে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে না, যদি-
🔸ক. তিনি একই প্রতিষ্ঠানে বা একই মালিকের অধীন একই শহরে বা গ্রামে অথবা ৮ (আট) কিলোমিটার দূরত্বের মধ্যে অবস্থিত ইপিজেডস্থ ভিন্ন কোনো প্রতিষ্ঠানে দক্ষতা বা পূর্ব অভিজ্ঞতার প্রয়োজন নাই এইরূপ কোনো বিকল্প পদে একই মজুরিতে কাজ গ্রহণ করিতে অস্বীকার করেন।
🔸খ.তিনি মালিকের নির্দেশ সত্ত্বেও দিনে ১ (এক) বার প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক কর্মসময়ের মধ্যে কোনো নির্দিষ্ট সময়ে কাজের জন্য হাজিরা না দেন।
✔️(২) উপ-ধারা (১) এর দফা (খ) এর উদ্দেশ্যে যদি লে-অফকৃত কোনো শ্রমিক কোনো দিনে স্বাভাবিক কর্ম সময়ের মধ্যে নির্ধারিত কোনো সময়ে কাজের জন্য হাজিরা দেন, এবং হাজিরার
২ (দুই) ঘণ্টার মধ্যে যদি তাহাকে কোনো কাজ দেওয়া না হয়, তাহা হইলে তিনি সেই দিনের জন্য এই ধারার অর্থ মোতাবেক লে-অফকৃত হয়েছেন বলে গণ্য হবেন।
✔️(৩) উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিতরূপে যদি কোনো লে-অফকৃত শ্রমিক কাজের জন্য হাজিরা দেন, এবং তাকে কোনো দিনের কোনো পালায় উহা শুরু হবার আগেই কাজ দেওয়ার পরিবর্তে তাহাকে একই দিনে পালার দ্বিতীয়ার্ধে কাজে হাজির হওবার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয় এবং তিনি তদনুযায়ী কাজের জন্য হাজিরা দেন, তাহলে তিনি ঐ দিনের অর্ধেক কর্মসময়ের জন্য লে-অফ হইয়াছেন বলিয়া গণ্য হবেন এবং অবশিষ্ট অর্ধেক কর্মসময়ে, তাকে কোনো কাজ দেওয়া হোক বা না হোক, তিনি চাকরিতে ছিলেন বলে বিবেচিত হবেন।
▶️লে অফ এ চাকরীর বয়স এবং হিসেব নিয়ে কিছু কথাঃ
লে- অফের ক্ষেত্রে শ্রম আইনের ধারা ১৬/১ এ চাকুরীর বয়স এক বছরের কথা বলা হয়েছে, কিন্তু যাদের চাকুরীর বয়স এক বছর হয়নি তারা কি ক্ষতি পূরণ পাবে?
✔️শ্রম আইন ধারা ১৬/১ এ বলা আছে এক্ষেত্রে সাময়িক বা বদলী শ্রমিক নয়, এর মানে সাময়ীক বরখাস্ত ও বদলী শ্রমিক লে -অফের আওতায় আসবে না। এখান চাকুরীর বয়স কিন্তু কোন কাজে আসবে না , মাস্টার রোলে নাম আছে , তারমানে এই দুই শ্রেনী বাদে যে কাউকে মাস্টার রোলে আনতে পারবেন। এর পর - এবং চাকুরীর বয়স এক বছর পুর্ন করেছে এমন কাউকে লে- অফ করা হলে সে ক্ষতিপুরন পাবে,খেয়াল করলে দেখবেন এক বছরের বিষয় টা সবার শেষে এসেছে। অর্থাৎ বদলী ও সাময়িক শ্রমিক বাদে আপনি যে কাউকে লে-অফ করতে পারবেন কোন সমস্যা নেই।
✔️এখন যাদের চাকুরীর বয়স এক বছর ও হয়নি আপনি তাদের লে-অফ করলেন না, তাহলে তারা কি পাবে?
লে- অফের ক্ষেত্রে শ্রম আইনের ধারা ১৬/১ এ চাকুরীর বয়স এক বছরের কথা বলা হয়েছে, কিন্তু যাদের চাকুরীর বয়স এক বছর হয়নি তারা কি ক্ষতি পূরণ পাবে?
✔️শ্রম আইন ধারা ১৬/১ এ বলা আছে এক্ষেত্রে সাময়িক বা বদলী শ্রমিক নয়, এর মানে সাময়ীক বরখাস্ত ও বদলী শ্রমিক লে -অফের আওতায় আসবে না। এখান চাকুরীর বয়স কিন্তু কোন কাজে আসবে না , মাস্টার রোলে নাম আছে , তারমানে এই দুই শ্রেনী বাদে যে কাউকে মাস্টার রোলে আনতে পারবেন। এর পর - এবং চাকুরীর বয়স এক বছর পুর্ন করেছে এমন কাউকে লে- অফ করা হলে সে ক্ষতিপুরন পাবে,খেয়াল করলে দেখবেন এক বছরের বিষয় টা সবার শেষে এসেছে। অর্থাৎ বদলী ও সাময়িক শ্রমিক বাদে আপনি যে কাউকে লে-অফ করতে পারবেন কোন সমস্যা নেই।
✔️এখন যাদের চাকুরীর বয়স এক বছর ও হয়নি আপনি তাদের লে-অফ করলেন না, তাহলে তারা কি পাবে?
এখন একটা বিবেচ্য বিষয় হলো ধারা ১৪/২/খ, ও ১১৭/৮ এ লে-অফ দিন গুলো কিন্তু কর্ম দিবস হিসেবে গননা করতে বলেছে, তারমানে লে-অফ মানে চাকুরি ছেদ নয় চাকুরীতে বহাল আছে, এখন আপনি ধারা ১৬/১ এর বলে এক বছরের কম চাকরির লোক গুলোকে লে-অফের সুবিধা দিলেন না কিন্তু তার চাকুরী বহাল আছে ঠিকই।
✔️সাধারণ কোন শ্রমিক না আসলে বা বিনাবেতনে ছুটি কাটালে কি করা হয়?
বেসিক কেটে অনান্য ভাতা পুর্নহারে দিয়ে থাকে এখানেও তাই হবে যদিও বিনাবেতনে ছুটি অসুস্থতাজনিত কারন ব্যাতিত অন্য কোন কারনে দেওয়ার নিয়ম নেই - কিন্ত কথা হলো অসুস্থতা যেমন শ্রমিকের নিয়ন্ত্রনে থাকেনা তেমনি মহামারি ও মালিকের নিয়ন্ত্রনে থাকেনা, আর যে ঘটনা মালিকের নিয়ন্ত্রনে নেই সেই ঘটনার খেসারত শ্রমিক দিবেনা এটাও খুবই স্বাভাবিক - মোট কথা হলো চাকুরীর বয়স যাই হোক(এক বছরের কম) আপনি বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে তাকে বিনাবেতনে ছুটির সমপরিমান ক্ষতিপূরণ দিবেন ( বাসা ভাড়া+অনান্য ভাতা) কেননা কোন শ্রমিক যদি ধারা ২৩ অনুযায়ী অপরাধী হয় আর তাকে সাময়ীক বরখাস্ত করা হয় তাহলেও তাকে খোরাকী ভাতা + অনান্য ভাতা পুর্ন হারে দিতে হয়।
✔️সাধারণ কোন শ্রমিক না আসলে বা বিনাবেতনে ছুটি কাটালে কি করা হয়?
বেসিক কেটে অনান্য ভাতা পুর্নহারে দিয়ে থাকে এখানেও তাই হবে যদিও বিনাবেতনে ছুটি অসুস্থতাজনিত কারন ব্যাতিত অন্য কোন কারনে দেওয়ার নিয়ম নেই - কিন্ত কথা হলো অসুস্থতা যেমন শ্রমিকের নিয়ন্ত্রনে থাকেনা তেমনি মহামারি ও মালিকের নিয়ন্ত্রনে থাকেনা, আর যে ঘটনা মালিকের নিয়ন্ত্রনে নেই সেই ঘটনার খেসারত শ্রমিক দিবেনা এটাও খুবই স্বাভাবিক - মোট কথা হলো চাকুরীর বয়স যাই হোক(এক বছরের কম) আপনি বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে তাকে বিনাবেতনে ছুটির সমপরিমান ক্ষতিপূরণ দিবেন ( বাসা ভাড়া+অনান্য ভাতা) কেননা কোন শ্রমিক যদি ধারা ২৩ অনুযায়ী অপরাধী হয় আর তাকে সাময়ীক বরখাস্ত করা হয় তাহলেও তাকে খোরাকী ভাতা + অনান্য ভাতা পুর্ন হারে দিতে হয়।
আশা করি এই পর্যন্ত ক্লিয়ার। এবার আসেন যাদের চাকুরীর বয়স এক বছর বা তার বেশি তাদের ক্ষতিপুরন কেমন হবে সেটা নিয়েও অনেক কনফিউশন আছে - ধারা ১৬/২ এ বলা আছে ক্ষতিপুরন হবে বেসিকের অর্ধেক।▶️ করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় ঘোষিত ৫ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা তহবিল থেকে শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধে রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠান ঋণ দেওয়ার কথা তবে কোনো শিল্প প্রতিষ্ঠান যদি লে-অফ ঘোষণা করে তাহলে ওইসব প্রতিষ্ঠান এ তহবিল থেকে ঋণ পাবে না।
▶️ লে অফের ভালো খারাপ দুইটি দিক ই আছে, তবে লে-অফে মালিক পক্ষেরই লাভ বেশি। অনেক সময় তারা কৃত্রিম অভাব বা সংকট দেখিয়ে শ্রমিক ছাঁটাই করে শ্রম আইন না মেনেই, এজন্য শ্রমিকদের সব সময় একটা সংশয় এ থাকতে হয় তারা ন্যায্য অধিকার বুঝে পায় না।
লেখক
ইয়াসির আরাফাত
Committee Manager - Latest Textile
Department Of Apparel Engineering
ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, পীরগঞ্জ, রংপুর। (DWMTEC)
ইয়াসির আরাফাত
Committee Manager - Latest Textile
Department Of Apparel Engineering
ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, পীরগঞ্জ, রংপুর। (DWMTEC)





1 মন্তব্যসমূহ