বর্তমানে বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাসের চরম প্রভাব পড়েছে টেক্সটাইল ও গার্মেন্টসে! বাংলাদেশ সরকার এ প্রভাব কমাতে নিয়েছেন অনেক গুলো উদ্যোগ!
তারই ধারাবাহিকতায় গার্মেন্টস (Readymade Garments) ও টেক্সটাইল পণ্য রফতানির অর্থ দেশে আনার ক্ষেত্রে বিশেষ ছাড় দিল বাংলাদেশ ব্যাংক।
শুধুমাত্র গার্মেন্টস ও টেক্সটাইল রফতানি পণ্যের মূল্য আগামী বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত নিয়মিতভাবেই দেশে আনা যাবে।
গতকাল (২৩ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংক এ বিষয়ে সার্কুলার জারি করে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠিয়েছে। এতে রফতানি বাণিজ্যের নতুন বিধান সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে গ্রাহকদের অবহিত করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
করোনা মহামারীর কারণে গত ডিসেম্বর থেকে পণ্য রফতানির অর্থ দেশে আসা কমে গেছে। এ কারণে রফতানির বিল দেশে আনার সীমা প্রথমে বাড়িয়ে ১৮০ দিন বা ৬ মাস করা হয় শুধুমাত্র গার্মেন্টস ও টেক্সটাইল পন্যের জন্য!
সাধারণত পণ্য রফতানির ৪ মাসের (১২০ দিন) মধ্যে পণ্যের মূল্য দেশে আনার নিয়ম রয়েছে। ওই সময়ের মধ্যে মূল্য না এলে সংশ্লিষ্ট রফতানিকারকের বিল বকেয়া বলে গণ্য হয়। একই সঙ্গে বিল না আসার কারণে ব্যাক টু ব্যাক এলসির দেনা পরিশোধ করতে না পারলে ব্যাংক গ্রাহকের নামে ফোর্স লোন ইস্যু এলসির দেনা শোধ করে!
তবে বিশেষজ্ঞদের অভিমত, গার্মেন্টস মালিকরা এত সুবিধা পাওয়ার পরও গার্মেন্টস কর্মীদের চাকরি বা বেতনে এর কোনো ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে কি?
দেশের গার্মেন্টস ও টেক্সটাইল কারখানা গুলোতে ছাঁটাই সহ চলছেই বেতন কমিয়ে দেওয়ার তাল বাহানা! এ পর্যন্ত ছাঁটাই হয়েছেন প্রায় ৪০ হাজারেরও বেশি কর্মী!
ছাঁটাইয়ের পরও অনেক কারখানায় 5-20% পর্যন্ত সবার বেতন কমিয়ে দাওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন শ্রমিক থেকে ইঞ্জিনিয়ার পর্যন্ত! যেখানে এমনিতেই বেতন নগন্য!
এ বিষয়ে জাগো বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি বলেন, ‘আশুলিয়ার অনন্ত গার্মেন্টসে ১-১৭ বছরের পুরোনো শ্রমিকদের পুনরায় জয়েনিং লেটার দেয়া হচ্ছে। অনেকের বেতন কমানো হচ্ছে। শ্রমিকরা যাতে তাদের দীর্ঘ চাকরি জীবনের আইনগত সুযোগ-সুবিধা পেতে না পারেন সেজন্য এ অভিনব প্রতারণার আশ্রয় নেয়া হচ্ছে।’





0 মন্তব্যসমূহ