বস্ত্র বা কাপড়ের আকার প্রকার


Latest Textile | Tahmina Akter Mina

পোশাক তৈরির কাঁচামাল হচ্ছে বস্ত্র (Fabric)। সহজ কথায় যদি বলি, পোশাক তৈরির জন্য যে দ্রব্য ব্যবহার করা হয় তাকে বস্ত্র (Fabric) বলে।
আসলে, বয়ন তন্তু হতে বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় সুতা প্রস্তুত করার পর ঐ সুতা দ্বারা বয়ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে টানা ও পড়েন সুতায় পরস্পর বন্ধনী দিয়ে, লুটের সাহায্যে এবং জমাট বাধিয়ে মানুষের পরিধেয় ও প্রয়োজনীয় ব্যবহারের জন্য যে সকল দ্রব্য উৎপাদিত হয় তাকে বস্ত্র বা কাপড় বলে।
✓ বস্ত্রের বৈশিষ্ট্য:
    ১. বস্ত্রের একটি নির্দিষ্ট দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ থাকতে হবে।
    ২. বস্ত্রের গঠন‌ প্রকৃতি বিভিন্ন রকমের হতে হবে।
    ৩. পরিধানে আরামদায়ক হতে হবে।
    ৪. টেকসই ও‌ স্হায়িত্ব গুণ সম্পন্ন হতে হবে।
    ৫. বস্ত্র উজ্জ্বল ও মসৃন হতে হবে।
    ৬. বস্ত্রের শক্তি থাকতে হবে।
    ৭. বস্ত্র অবশ্যই তাপ সহনশীল হতে হবে।
    ৮. বস্ত্রের জলীয় বাষ্প ধারণ ক্ষমতা থাকতে হবে।

✓ বস্ত্রের শ্রেণিবিভাগ:
বস্ত্রকে ২ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১.‌ গঠন অনুযায়ী;
২. সাধারণ অনুযায়ী।

আবার, গঠন অনুযায়ী বস্ত্র ২ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
ক) সাধারণ গঠন
খ) যৌগিক গঠন

সাধারণ অনুযায়ী বস্ত্র ৩ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
ক) ওভেন ফ্যাবরিক
খ) নিটেড ফ্যাবরিক
গ) নন- ওভেন ফ্যাবরিক।

✓ যে প্রক্রিয়ায় ফ্যাবরিক হয়:
ক) উইভিং 
খ) নিটিং
গ) নন- উইভিং।

দেখতে থাকুন আমার অন্য লেখা গুলো, পড়তে থাকুন Latest Textile .


Writer
Committee Manager - Latest Textile
Department of Clothing & Textile,

Bangladesh Home Economics College (BHEC)

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ