Latest Textile | নিজস্ব প্রতিবেদক
নানারকম সীমাবদ্ধতা থাকা সত্বেও চীন, ভারত, পাকিস্তান, ভিয়েতনাম, জাপান, কোরিয়া,ই ন্দোনেশিয়া, কম্বোডিয়া, লাওসের সাথে প্রতিযোগিতা করে গুনগত মান আর অনটাইম ডেলিভারি নিশ্চিত করে ইউরোপ-আমেরিকার ক্রেতাগনের আস্থার শীর্ষ অবস্থানে সক্ষম বাংলাদেশের গার্মেন্টস ও টেক্সটাইল শিল্প। এজন্য, অনেক দেশই এখন বাংলাদেশের প্রতি আগ্রহ দেখাচ্ছে।
Bangladesh Institute of International and Strategic Studies (BIISS) এর সাবেক চেয়ারম্যান মুন্সী ফৈজ অবশ্য বলেছেন, "যুক্তরাষ্ট্র বৃহত্তম একক প্রস্তুত পোশাক ক্রেতা এবং বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিনিয়োগকারী। বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে কোন জোটের পক্ষে থাকা নয়, বরং বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য সবার সাথে সম্পর্ক উন্নত করা। কোভিড-১৯ এর সময় ফার্মাসিউটিক্যাল, টেক্সটাইল ও অন্যান্য খাতে বাংলাদেশের দক্ষ শ্রমশক্তি ও উৎপাদন ক্ষমতা তার শক্তি।"
তিনি আরও বলেন,"প্রতিযোগিতামূলক মূল্য এবং গুণগত মানের জন্য, অন্যরা আমাদের কাছে আসবে। আমাদের অন্যদের কাছে যাওয়ার দরকার নেই। আমরা সবার সাথে আমাদের সম্পর্ক বজায় রেখে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখবো। যা বাংলাদেশের জন্য সুখকর হলেও প্রতিবেশী দেশ ভারতের চোখের ঘুম হারাম করে দিয়েছে। ক্ষুদ্র দেশ হওয়া সত্ত্বেও টেক্সটাইল পাড়ায় সকলের নজর কেঁড়েছে বাংলাদেশের বস্ত্রশিল্প।"
![]() |
"উদীয়মান অর্থনীতি ভালো কাজ করছে। কিন্তু এটা মর্মান্তিক যে পাঁচ বছর আগে ২৫% লিড নিয়ে ভারত এখন পিছিয়ে আছে।"
![]() |
| Bangladesh VS India |
ভারতের প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টা অরবিন্দ সুব্রহ্মণ্যন একটি নতুন গবেষণাপত্রে লিখেছেন, "বাংলাদেশ ভালো করছে কারণ এটা পূর্ববর্তী এশিয়ান টাইগারদের পথ অনুসরণ করছে। যদিও ভিয়েতনাম খুব একটা পিছিয়ে নেই। কিন্তু মূলত, দুজনেই চীনের কাছে পুতুল।"
১৯৯০-এর দশকে অর্থনীতি শুরু হওয়ার পর থেকে ভারতের স্বপ্ন ছিল চীনের দ্রুত সম্প্রসারণের অনুকরণ করা। এই প্রচারাভিযানের তিন দশক পর বাংলাদেশের পিছনে পড়ে ভারতের বৈশ্বিক ভাবমূর্তিতে আঘাত হয়েছে। করোনাভাইরাস মহামারী অবশ্যই এর জন্য দায়ী।
ভারত অনেক উচ্চ-দক্ষ পণ্য এবং পরিষেবা, যেমন কম্পিউটার সফটওয়্যার রপ্তানি করে। কিন্তু বিশ্বের কারখানা হিসেবে, চীন এখন নিচের প্রান্তে অন্যদের জন্য জায়গা তৈরি করছে। যা ভারতকে প্রতিনিয়তই ভাবিয়ে তুলছে আর বাড়ছে চীন ভারতের শত্রুতা। অন্যদিকে, বাংলাদেশের এগিয়ে যাওয়ার লজ্জা তো আছেই।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্টিফেন বিগুন বলেন,
"বাংলাদেশের প্রধান লক্ষ্য বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন। কোন প্রধান সামরিক হুমকি নেই যে দেশটিকে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার উপর জোর দিয়ে তার নীতির সাথে মানিয়ে নিতে হবে। তাই নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকলে কোনও জোটে যোগ না দেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।"
টিএন/ড.র







0 মন্তব্যসমূহ